বরানগর ২ মন্ডল আই. টি.

ছবি
  পশ্চিমবঙ্গে আগামী বিধানসভা নির্বাচন ২০২১-এ ভারতীয় জনতা পার্টি তথা মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শ্রী নরেন্দ্র দামোদর মোদী মহাশয়ের হাত শক্ত করতে, পশ্চিমবঙ্গে সুযোগ্য তথা সুদক্ষ সরকার গড়তে এবং অবিলম্বে উন্নয়নের ধারাকে গতি প্রদান করতে পশ্চিমবঙ্গে ভারতীয় জনতা পার্টির যে বিশাল কর্মযোগ্য শুরু হয়েছে তাতে গুরুত্বপূর্ণ এবং উল্লেখযোগ্য ভূমিকা পালন করবে প্রত্যেকটি বুথ।  বলাবাহুল্য বরানগর ২ মন্ডলের প্রতিটি বুথে উন্নয়নে গতি প্রদান, বুথের নেতৃবৃন্দ এবং সহকর্মীদের সাথে সংযোগ স্থাপন তথা প্রতিটি বরানগরবাসীকে সুস্থ এবং সুদক্ষ সরকারী পরিষেবা প্রদানের বৃহং উদ্দেশ্যে প্রতিটি বুথের একটি করে Whatsapp Group নির্মাণ করা হয়েছে। ভারতীয় জনতা পার্টি বরানগর ২ মন্ডল আই. টি.-এর পক্ষ থেকে সর্বস্তরের  নেতৃবৃন্দ এবং ভালোবাসার সহকর্মীদের আহ্বান করা হচ্ছে যে আপনারা নিজবুথ অনুসারে Whatsapp Group-এ যোগদান করে বরানগরবাসীর সার্বিক উন্নয়ন তথা সরকারী পরিষেবাগুলি প্রদানে উল্লেখযোগ্য ভূমিকা পালন করবেন।  আপনাদের সকলের ঐকান্তিক সহযোগিতা আমাদের একান্ত কাম্য। বিনীত নিবেদনে, ভারতীয় জনতা পার্টি  বরানগর ২ মন্ডল আই....

অমিতাভ চক্রবর্তী

 অমিতাভ চক্রবর্তী

দক্ষিণ দিনাজপুরের হরিরামপুরের ছেলে। হরিরামপুর বিদ্যালয় থেকে মাধ্যমিক, করোনেশন বিদ্যালয় থেকে উচ্চমাধ্যমিক, বালুরঘাট কলেজে স্নাতক, এরপর উত্তরবঙ্গ বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতকোত্তর। অত্যন্ত মেধাবী ছাত্রের পাশাপাশি উনি অখিল ভারতীয় বিদ্যার্থী পরিষদের মূখ্য নেতৃত্বে ছিলেন। উত্তরবঙ্গ বিশ্ববিদ্যালয়ে অমিতাভ চক্রবর্তীর হাত ধরেই অখিল ভারতীয় বিদ্যার্থী পরিষদের গৈরিক পতাকার উথ্যান। স্নাতকোত্তরের পর স্বামী বিবেকানন্দ, শ্যামাপ্রসাদ মূখার্জী ও পন্ডিত দীনদয়াল উপাধ্যায়ের আদর্শে অনুপ্রাণিত হয়ে অখন্ড ভারত,কমিউনিস্ট ও কংগ্রেস মুক্ত ভারত, জাতীয়তাবাদী ছাত্র সমাজ গড়ার লক্ষ্যে ১৯৯৫ এ অখিল ভারতীয় বিদ্যার্থী পরিষদের পূর্ণকালিন কার্যকর্তা হিসেবে সংসার ত্যাগ করেন। এরপর ১৯৯৭ এ তিনি পশ্চিমবঙ্গের রাজ্য কমিটির সম্পাদক নির্বাচিত হন। এক বছরের মধ্যে তাঁর অসামান্য সাংগঠনিক দক্ষতার কারণে ১৯৯৮ এ সহ-সংগঠন সম্পাদকের দায়িত্ব দেওয়া হয়। দীর্ঘ দিন নিজে মাঠে ময়দানে কলেজ বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্যম্পাসে সংগঠন বিস্তার করতে থাকেন। বহুবার কমিউনিস্ট হার্মাদ থেকে শুরু করে বামফ্রন্ট সরকারের পুলিশের চরম হেনস্থার পরেও তাঁর দৃঢ় সংকল্পে তিনি অবিচল ছিলেন। ২০০১ সালে তিনি পশ্চিমবঙ্গের পূর্ণ সংগঠন সম্পাদকের দায়িত্ব পান ও ২০০৭-২০০৮ রাষ্ট্রীয় সম্পাদক নির্বাচিত হন। বহু ঘাত প্রতিঘাত সামলে ২০১২ তে পূর্ব ভারতের সহ ক্ষেত্রিয় সংগঠন সম্পাদক ও ঠিক তার এক বছরের মধ্যে ২০১৩ তে পূর্ব ভারতের ক্ষেত্রিয় সংগঠন সম্পাদকের দায়িত্ব নিয়ে পশ্চিমবঙ্গের পাশাপাশি উড়িষ্যা ও আন্দামান নিকোবরের দায়িত্ব সামলেছেন। বলা ভালো অখিল ভারতীয় বিদ্যার্থী পরিষদের শিরোমণি হয়ে দীর্ঘ সময়কাল ধরে তিনি বঙ্গ রাজনীতির চানক্য হয়ে ওঠেন। পাশাপাশি বহু কার্যকর্তাদের নিজের হাতে তৈরি করেছেন ও জাতীয়তাবাদী সংগঠনে উদ্বুদ্ধ করেছেন, যারা সেই সময় থেকে নিরলস প্রচেষ্টার মধ্য দিয়ে সমগ্র পশ্চিমবঙ্গের কোনায় কোনায় সংগঠন বিস্তার করেছেন। অমিতাভ মানেই ভরসা, অমিতাভ মানেই চেষ্টা, অমিতাভ মানেই লড়াই করার অনুপ্রেরণা। এরপর ২০১৬ সাল দীল্লি থেকে তৎকালীন ভারতীয় জনতা পার্টির সভাপতি শ্রী অমিত শাহ বিজেপির উড়িষ্যা প্রান্তের সহ-সংগঠন সম্পাদক হিসেবে বিশেষ দায়িত্ব দিলেন। শুরু হোলো রাজনীতির ময়দানে নেমে সমগ্র উড়িষ্যায় ভারতীয় জনতা পার্টির সংগঠন বিস্তারের কাজ। একের পর এক নির্বাচনে ভারতীয় জনতা পার্টির জয়জয়কার। উড়িষ্যা কংগ্রেস নিয়ে প্রবল সংকটে পড়লেন সনিয়া ও রাহুল গান্ধী। এদিকে বঙ্গ শিবিরে শুরু হোল অমিতাভ চক্রবর্তীকে বাংলায় দায়িত্বে আনার দাবি। হঠাৎ ২০১৯ লোকসভা নির্বাচনের সময়কালে পুরুলিয়ার বিরাট জনসভায় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সভামঞ্চে বিশেষ আমন্ত্রন অমিতাভ চক্রবর্তীর। ঠিক লোকসভা নির্বাচনে অসাধারন ফলাফলের পরেই নতুন দায়িত্ব পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য সহ-সংগঠন সম্পাদক হিসেবে কলকাতা কেন্দ্র। এবারের দায়িত্ব ২০২১ এ তাঁর স্বপ্ন পূরণ তথা পশ্চিমবঙ্গে ভারতীয় জনতা পার্টি সরকার গঠন। দায়িত্ব পাবার পরক্ষনেই শুরু করেছেন তাঁর হাতের তালুর মতো চেনা মাটিতে সংগঠনের কাজ। এরই মধ্যে করোনা মহামারি, আম্ফানের মতো প্রাকৃতিক দূর্যোগ। অমিতাভ চক্রবর্তী তাঁর রণকৌশল ঠিক করে সমস্ত কার্যকর্তাদের সঙ্গে নিয়ে মুখে মাস্ক পরে ছুটলেন দিনরাত মানুষের সেবায়। তাঁর হাজার হাজার অনুগামী সহ সমস্ত কার্যকর্তারা ছুটলেন ত্রাণ নিয়ে কাকদ্বীপ থেকে কোচবিহার। এই পরিস্থিতিতে গত তিন মাস ধরে এই করোনা আবহে থেমে রইলনা দলের কাজ। চলল বুথে বুথে ভার্চুয়াল র‍্যালি। পশ্চিমবঙ্গের প্রতিটি কোনায় প্রতিটি বুথে বুথে মানুষ একত্রিত হয়ে পশ্চিমবঙ্গের বর্তমান মমতা সরকারের চরম দূর্নীতির চিত্র সরাসরি ভার্চুয়াল র‍্যালির মধ্যদিয়ে দেখলেন। এক কথায় ভারতীয় জনতা পার্টির সাংগঠনিক চেহারায় ব্যাপক পরিবর্তন ও সমগ্র পশ্চিমবঙ্গ বিজেপির মূল চাণক্য যে অমিতাভ চক্রবর্তী তা বলাই বাহুল্য। আজ পশ্চিমবঙ্গের বিজেপি সংগঠন সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হলেন।

মন্তব্যসমূহ

এই ব্লগটি থেকে জনপ্রিয় পোস্টগুলি

বরানগর ২ মন্ডল আই. টি.